পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার বদলেছে। মমতা ব্যানার্জীর দলকে হারিয়ে রাজ্যে বিজেপি সরকার এসেছে। ২৯৩ টি আসনের মধ্যে ২০৭ টি আসন পেয়ে রাজ্যে শাসক দল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা রাজ্যের তথা দেশের আপামর মানুষ এটিকে প্রতাশ্যার চেয়েও বড়ো জয় বলে মনে করে।
আর শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এখন রাজ্যের তিনি মুখ্যমন্ত্রী। গত ১১ ই মে, ২০২৬, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে নবান্নও বিল্ডিং -এ প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং সাংবাদিকদের কাছে ৬ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। সেই ঘোষণার সময় মুখ্যমন্ত্রী জানান যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তিনি রাজ্য শাসক দল হিসাবে থাকা কালীন যে সকল সমাজিক প্রকল্প যেমন – স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথী, কন্যাশ্রী প্রভৃতি চালু ছিল, সেইগুলো বরতমানেও থাকবে।
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড চালু থাকবে
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির কথা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড চালু থাকবে। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বন্ধ করলে তা সরকারি আধিকারিকরা জনগণ কে জানিয়ে দিবেন। তবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর উপভক্তাদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবেন।
আয়ুষ্মান কার্ড এর সুবিধা চালু হলো
কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প আয়ুষ্মান কার্ড যেটি দেশের যেকোনো হাসপাতালে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামুল্যে চিকিৎসা করা যাবে। এখন থেকে এই কার্ডেরও সুবিধা নিতে পারবেন বাংলার মানুষ। এটি ডবল ইঞ্জিন সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সুবিধা।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কি বন্ধ হয়ে যাবে?
না, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর বর্তমান সরকার প্রকাশ করে নি। সুতরাং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পটিও চালু আছে। তবে যারা অবৈধ নাগরিক বা অসৎ পথে আবেদন করে ছিলেন তারা প্রকল্প থেকে সুবিধা পেতে বঞ্চিত হতে পারেন।
যুবসাথী, কন্যাশ্রী
যুবসাথী, কন্যাশ্রী প্রকল্পগুলিও চালু থাকবে। এছারাও আরও অন্যান্য প্রকল্পগুলো যেগুলো ১০-৩০ বছরের মধ্যে তৈরি।করা হয়ে ছিল সামাজিক কল্যাণের জন্য। সেগুলিও চালু থাকবে।
নীচের ভিডিও টি দেখুন, সেদিন বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী প্রকল্প নিয়ে কি বলেছেন